রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল চুলকে ফিরিয়ে দিন মসৃণতা

ধুলোবালি, রোদ, আবহাওয়ায়- এই সব কিছু দায়ী চুল রুক্ষ মলিন হওয়ার পেছনে। এছাড়া যত্নে অবহেলাও অনেক সময় চুলকে রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল করে থাকে। কিন্তু, সবাই এখন এই ব্যস্ত সময়ের অজুহাত দিয়ে বলেন, সময় পান না চুলের যত্ন নেয়ার জন্য। আপনি যে অজুহাতই দেন না কেন এটা মনে রাখতে হবে সুন্দর ঝরঝরে সিল্কি চুল পেতে হলে আপনাকে কিছুটা সময় চুলের জন্য দিতেই হবে। তাই আসুন আজ জেনে নেই কিভাবে যত্ন নিলে আপনার রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল চুলকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন মসৃণতা।

চুল ঝরঝরে সিল্কি রাখতে হলে নিয়মিত তেল ব্যবহার করতে হবে। নারকেল তেল হালকা গরম করে চুলে লাগাবেন। যারা তেল পছন্দ করেন না, তারা তেল লাগানোর দুই ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে পারবেন। এতেও কাজ হবে।

স্বাস্থ্যজ্বল চুলের জন্য তেলের সঙ্গে লেবুর রস যোগ করে নিতে পারেন। এরপর তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে চুল পেঁচিয়ে ১০ মিনিট রাখলেই হবে। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। শ্যাম্পুর পর অব্যশই কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন।

যাদের চুল তৈলাক্ত তারা তুলসিপাতা, নিমপাতা বেটে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের রুক্ষভাব দূর করে চুলকে মসৃণ করবে। এছাড়া মেথির গুঁড়া, টক দই, ডিম ও অ্যালোভেরার জেল এক সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়বে।

রুক্ষ চুলের অধিকারীরা একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক ব্যবহার করুন। এটি আপনার চুলের রুক্ষতা দূর করে চুল করবে স্বাস্থ্যজ্বল ও সুন্দর।

এছাড়া অবাধ্য চুলকে বাধ্য করতে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকরি। নারকেল তেল, অ্যালোভেরা জেল এবং টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস:
চুলে ব্লো ড্রাই বা চুল সোজা (স্ট্রেইট) করার আগে মুজ বা সিরাম দিয়ে নিতে হবে।
এরপর চুল স্ট্রেইট করলে চুলের কোনো ক্ষতি হবে না।
চুলে বিভিন্ন প্যাক লাগানোর পাশাপাশি তিনি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রতি দৃষ্টি দিতে বলেছেন। কারণ, চুলের আসল পুষ্টি আসে ভেতর থেকে।