আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ বা ধাত্রী দিবস আজ

আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ বা ধাত্রী দিবস আজ । একজন প্রশিক্ষিত ধাত্রী মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবা-যত্ন দিতে পারেন। সন্তান জন্মের আগে- বা পরে যেসব সেবার দরকার হয় তার অনেকাংশই ধাত্রীরা দিতে পারেন। যুগ যুগ ধরে ধাত্রীরা যেভাবে মায়েদের সন্তান প্রসবে সেবা দিয়ে আসছে, তারই স্বীকৃতি হিসেবে আশির দশক থেকে তারা দিবসের দাবি জানিয়ে আসছিল। ১৯৯২ সালের ৫ই মে আন্তর্জাতিকভাবে ধাত্রী দিবস স্বীকৃতি পায়।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আজ বাংলাদেশেও পালন করা হচ্ছে দিবসটি। এবারের শ্লোগান `মা ও শিশু স্বাস্থ্যের মানসম্মত সেবা প্রদানে মিডওয়াইফ এগিয়ে`। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও মৃত্যুহার হ্রাসে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ বা ধাত্রীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বিশেষ করে একজন মায়ের পরিবার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব ও প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদানে মিডওয়াইফ বা ধাত্রী অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।

এ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আশা করি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশুর মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে মিডওয়াইফরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

‘সরকারি ৩৮টি নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং বেসরকারি ১৬টি নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্স চালু আছে।’

এছাড়াও তিন হাজার মিডওয়াইফ পদ সৃষ্টিসহ মিডওয়াইফ শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সকল জেলা-উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে।’

বাংলাদেশেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো  দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল, বিভিন্ন সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

উইমেন জার্নাল//এইচবি