তবু সেরার তালিকায় সাবিনা

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৭-১, ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৭-০ ও চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে ৬-১ গোলে হেরে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ফুটসাল টুর্নামেন্ট। ২ গোল করার বিপরীতে তিন ম্যাচে মোট ২০ গোল হজম। পরিসংখ্যানের বিচারে এর চেয়ে খারাপ ফলাফল হওয়া খুব কঠিন! গড়ে প্রায় সাত গোল হজম করাটা অবশ্যই খারাপ। কিন্তু এমন টুর্নামেন্ট বাংলাদেশের জন্য এই প্রথম, সে বিচারে একেবারেই খারাপ হয়তো করেনি বাংলাদেশের মেয়েরা।

প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে একেবারেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না তাদের। মাত্র এক গোল করলেও অধিনায়ক সাবিনা খাতুন জায়গা করে নিয়েছেন গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর সেরা তিন খেলোয়াড়ের তালিকায়। বিষয়টি নিয়ে সাবিনা বলেন, ‘আমরা অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য এসেছিলাম, তা হয়েছে। গোল আরও কম হলে ভালো লাগত। ব্যক্তিগত একটা অর্জন আছে। সাবিনা গ্রুপ পর্বের সেরা তিন নম্বর খেলোয়াড় হয়েছে।’ সাবিনার সেরা তিনে জায়গা করে নেওয়াটা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ পেয়েছে।

টুর্নামেন্টটি ফুটসাল হলেও সেখানে অংশগ্রহণ করেছিল জাতীয় ফুটবল দল। কারণ, ফুটসালের জন্য কোনো আলাদা দল নেই বাংলাদেশের। দলে ফুটসাল খেলার অভিজ্ঞতা ছিল একমাত্র সাবিনারই। দুই মৌসুম মালদ্বীপের ফুটসাল ফিয়েস্তায় দাপটের সঙ্গে খেলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। গোলও করেছেন প্রচুর।

ফুটসালে অংশগ্রহণ করার আগে নারী ফুটবল মানেই বাংলাদেশের জয়জয়কার। বাংলাদেশের মেয়েরা হারতে জানে, এ কথাটাই যেন ভুলে গিয়েছিল ফুটবল দর্শকেরা। অনেক দিন পরে শুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েদের হারের খবর। তারা বুঝল, ফুটবল ও ফুটসালের মধ্যে কত পার্থক্য।

উইমেনজার্নাল//এইচবি