কেন করলে এমনটা, বাবা?

 

 

হায়দ্রাবাদের এক নিম্নমধ্যবিত্ত অধ্যুষিত এলাকায় বাস করে অশ্রু(ছদ্মনাম), মা, ছোট বোন এবং সৎ বাবার সাথে। অশ্রু মা কাজ কাজ করে একটি দোকানে সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ পযন্ত।

গত এপ্রিলে ১৩ বছর বয়সী অশ্রুকে তার সৎ বাবা ধর্ষণ করে যখন তার মা বাইরে কাজে ছিল।এই ঘটনা কাউকে বলে দিলে তাদের আর দেখাশুনা করবে না বলে ভয় দেখায় সে।অষ্টম শ্রেণীর মেয়েটি তার মাকেও বলতে পারিনি ভয়ে।

এই ঘটনার কিছু দিন পর তার মা যখন বাইরে কাজের জন্য যাচ্ছিলেন তখন শ্রুজানা কাঁদতে কাঁদতে তাকে একা রেখে না যাওয়ার জন্য আকুতি জানায়। সেদিনের ঘটনার কথাও বলে দেয় সে।

এরপর ঘটনার কথা তার মা, বাবার কাছে জানতে চাইলে সে প্রথমে অশ্রু মিথ্যা বলছে বলে অভিযোগ করে। পরে দুঃখপ্রকাশ করে বলে, নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে এমন কাজ করেছে। মা-মেয়ে তার কথা বিশ্বাস করে নেয়।

চলতি মাসে তার মা বাইরে গেলে ফের অশ্রুকে ধর্ষণ করে তার সৎ বাবা।

মাকে বলে দেয়ার জন্য সৎ বাবা প্রচুর মারধর করে অশ্রুকে। লাথি মেরে ফেলে দেয়। ভয়ে সে রাথরুমে লুগিয়ে ছিল। সেখান থেকে দরজা ভেঙে বের করে বেল্ট দিয়ে মারধর করে তাকে। প্রতিবেশীরা ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। আর তারা জানতোই না যে এটা তার সৎ বাবা।

ঘটনা জানতে পেরে তার মা থানায় যায় মেয়েকে নিয়ে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তারা।
এরপর থেকেই অভিযুক্ত বাবা পলাতক।

স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চান ওই অভিযুক্ত স্বামী। তিনি মেয়েদের নামে ব্যাংকে টাকা দেয়ার এবং তাদের পড়াশুনার দায়িত্ব নেয়ার কথাও বলে। আসলে তিনি চাচ্ছিলেন, মামলা তুলে নেয়াতে।

একটি শিশু অধিকার সংস্থার আশ্রয়ে আছে এখন অশ্রু।

উইমেন জার্নাল/আরএস