সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হতে চান লিলি মমতাজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অ্যাডভোকেট লিলি মমতাজ।

১৫ জানুয়ারি লিলি মমতাজ মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেন। বৃহস্পতিবার ১৭ জানুয়ারী আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে সংরক্ষিত মহিলা আসনে (ফরিদপুর) মনোনয়নপত্র জমা দেন। এসময় তার সঙ্গে তার কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাডভোকেট লিলি মমতাজ ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লিলি মমতাজ। তিনি ঢাকা টাইমসে বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হবার জন্য মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়ন দিলে আমি সংসদ সদস্য হতে পারব। আমি সংসদ সদস্য হলে আমার এলাকা ফরিদপুরসহ সারা বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় আইনিসহায়তা দেবো। নারীদের উন্নয়নে কাজ করবো।’

তিনি আরো বলেন, আমার পরিচয়ে আমি বলি, সাধারণ মানুষ। মানুষের পাশে থাকতেই আজ আমি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। আইন পেশাকে ভালোবাসি কারণ এতে সরাসরি মানুষের উপকার হয়। একটি দেশের সংসদে সব পেশার মানুষের গুরুত্ব রয়েছে। তবে এই পবিত্র স্থান মূলত আইন প্রণয়নের জন্য। তাই আইনের লোকদের অগ্রাধিকার থাকা উচিৎ। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সংরক্ষিত নারী আসনে নিঃসন্দেহে যোগ্য প্রার্থীদের মনোনীত করবেন। যাঁরা এই আসনগুলোতে নির্বাচিত হবেন, তারা অবশ্যই যোগ্য।

লিলি মমতাজের ভাষ্য, ‘আমি ক্ষমতা লোভী নই। সংসদ সদস্য হয়ে রাতারাতি দেশকে বদলে দেবো এমন কোন আশ্চর্য্য প্রদীপও আমার নেই। তবে আমার শরীরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্পর্শ রয়েছে। তাই অকৃতজ্ঞতা, বেইমানী, মানুষ ঠকানো, বাটপারি, মানুষকে কষ্ট দেয়া আমার চরিত্রের বিপরীত। তাই অহংকার করেই বলি, আমি জন্মগতভাবে আওয়ামী লীগ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই আমার পথচলা। ফরিদপুর আমার এলাকা। এই এলাকার প্রতি আমার দায়বদ্ধতা রয়েছে । এলাকার জন্য কিছু করার যোগ্যতা সৃষ্টিকর্তা আমায় দিলে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবীড় সম্পর্কের বন্ধনে ফরিদপুরের জনসাধারণের প্রাণের দাবি পূরণ করতে সংরক্ষিত নারী আসনে বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিলাম’।

আইনজীবী লিলি মমতাজের বড় ভাই ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামালের প্রিয় বন্ধু। বিবাহিত জীবনে তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী।  সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগের প্যানেলে কাজ করছেন।